Tuesday, December 15, 2015

Bangladesh Khelafat Andolon Condemned Attack on ISKCON Temple in Dinajpur

Joint Statement by Secretary General Maulana Muhammad Zafarullah Khan and  Minority Affairs Advisor Shree Sanjeeb Chowdhury of Bangladesh Khelafat Andolon (Bangladesh Khelafat Movement):-

We are unequivocally expressing our condemnation of the cowardly attack by  miscreants on ISKCON (International Society for Krishna Consciousness) Temple in Kaharol Upazila of Dinajpur district in Bangladesh on Thursday, 10 December 2015 night. This dastardly attack proved once again that the conspiracies hatched by the unscrupulous quarters of home and abroad to destroy the prevailing communal harmony in Bangladesh have never been ceased. In recent times, four such attacks occurred in Dinajpur district alone. Several persons were injured, none  was killed in these attacks. Yet these heinous incidents can not be taken lightly.

It is definitely a matter of pride and glory for us that due to the constructive roles played by our religious clergies and spiritual leaders, the venomous elements of communal conflicts did not find favorable environment to spread far and wide in Bangladesh. Nevertheless, the poisonous hands of the assailants are exerting the utmost efforts to tear apart our collective peace, communal harmony and national security. At this critical juncture, all of us irrespective of our religious and communal identities have to be firmly united to decisively defeat these evil forces. All of us are aware that, in the context of the prevailing world situation, the Muslims worldwide are subject to multifarious suspicions. The evil intention of imposing the entire responsibilities of the mysterious offences committed by a handful of perverted, crocked and greedy so-called Muslims on the shoulders of 1.5 billion followers of holy and peaceful religion Islam is vividly visible. Whereas, there is serious doubt whether the remarkable portion of these terrorist elements are Muslims at all.



In this context, the religious scholars have to play pioneering role in the collective efforts to keep Bangladesh free from these menaces. If the religious scholars and spiritual leaders actively pursue the concerted efforts to destroy the ongoing local and foreign conspiracies hatched in the name of so-called religion, we strongly believe that the entire nation will come forward and join them. It is not the time to discharge responsibilities merely by issuing statements sitting at home. We have to be active relying on the help of Allah the Almighty, become united and vigilant to defeat and dismantle these evil forces.

Comments may be sent by e-mail to: 
bkandolon@gmail.com

Monday, December 14, 2015

Congratulations to the President of Gambia for officially declaring Gambia as an Islamic Republic

Ameer-e-Shariah Hafez Maulana Shah Ata Ullah and Secretary General Maulana Muhammad Zafarullah Khan of Bangladesh Khelafat Andolon i.e. Bangladesh Harkatul Khelafat hereby congratulates Gambian President Yahya Jammeh and his government and nation for officially declaring Gambia as an Islamic Republic. 

We think the declaration is consistent with global Islamic renaissance and post-colonial western behavior. 

Friday, December 11, 2015

দিনাজপুরে ইসকন মন্দীরে হামালার নিন্দা : বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহা-সচীব মওলানা মুহাম্মদ জাফরউল্লাহ খান এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা শ্রী সঞ্জীব চৌধুরীর যুক্ত-বিবৃতি

Darul Khelafat, 314/2 J.N Shaha Rd., Lalbagh Kellar Morr, Dhaka-1211, Bangladesh 
Markazul Khelafat, Jamia Nooria Islamia, Kamrangirchar, Dhaka-1211, E-Mail: bkandolan@gmail.com

দিনাজপুরে ইসকন মন্দীরে হামালার নিন্দা

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহা-সচীব মওলানা মুহাম্মদ জাফরউল্লাহ খান এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা শ্রী সঞ্জীব চৌধুরীর যুক্ত-বিবৃতিঃ-

ঢাকা, শুক্রবার, ১১ই ডিসেম্বর ২০১৫
বৃহস্পতিবার রাতে (১০ই ডিসেম্বর ২০১৫) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের মন্দীরে (ইসকন মন্দীর) দুবৃত্তদের কাপুরুষোচিত হামলার আমরা দ্ব্যার্থহীন ভাষায় তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।  এই হামলা আবারো প্রমাণ করল যে বাংলাদেশে বিরাজমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার দেশী-বিদেশী চক্রান্ত থেমে নেই। সাম্প্রতিককালে শুধু দিনাজপুর জেলাতেই এধরণের ৪টি হামলার ঘটনা ঘটেছে।  দিনাজপুরে এসব হামলায় কয়েকজন আহত হলেও কেউ নিহত হননি।  কিন্তু কেউ মারা যাননি বলে ঘটনাগুলিকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।

আমাদের জন্য এটি গৌরবের বিষয় যে ওলামা-মাশায়েখদের দ্বায়িত্বশীল ভূমিকার কারণে বাংলাদেশে ধর্মীয় সংঘাতের বিষবৃক্ষ কোন দিন ডালপালা বিস্তারের অনুকূল পরিবেশ পায়নি।  তা সত্ত্বেও বর্তমানে আততায়ীর কালো হাত  আমাদের শান্তি, সম্প্রীতি নিরাপত্তা ছিন্নভিন্ন করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।  তাদেরকে পরাস্থ করার জন্য আমাদের সবাইকে ধর্মীয় জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।  একথা সবাই জানি, আজ বিশ্বপরিস্থিতিতে মুসলমানরা বহুমুখী সন্দেহ দ্বারা আক্রান্ত।  পথভ্রষ্ট, বিভ্রান্ত প্রলুব্ধ গুটিকয়েক মুসলমানের রহস্যজনক অপকর্মের দায় পবিত্র ইসলাম ধর্মের অনুসারী দেড় কোটি মানুষের উপর চাপানোর চেষ্টা অত্যন্ত স্থুলভাবে দৃশ্যমান।  অথচ এইসব সন্ত্রাস সৃষ্টিকারীদের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ আদতেই মুসলমান কিনা তা নিয়ে গুরুতর সন্দেহ রয়েছে।

এই পটভূমিতে বাংলাদেশকে নিরুপদ্রোপ রাখার ঐক্যবদ্ধ চেষ্টায় আলেম সমাজকে অগ্রনী ভূমিকা পালন করতে হবে।  এদেশের ওলামা-মাশায়েখ যদি একজোট হয়ে তথাকথিত ধর্মের নামে চলমান দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র ভন্ডুল করতে সক্রিয় হন, তাহলে গোটা জাতি তাঁদের সংগে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে আসবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।  আজ শুধু ঘরে বসে বিবৃতি দিয়ে দায় সারার সময় নয়। আল্লাহর উপর ভরসা করে সক্রিয় হতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, এবং চারিদিকে সতর্ক দৃষ্টি রেখে অপশক্তিকে অকার্যকর করার জন্য মাঠে নামতে হবে।   


প্রেরকঃ কাজী আজীজুল হক 
ফোনঃ ০১৮১৯৪০৭৯৬৩, ৮৪১১৪৩৬ 
e-mail: bkandolan@gmail.com

Sunday, November 29, 2015

২৯শে নভেম্বর ২০১৫ বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে

২৯শে নভেম্ব ২০১৫ রোজ রবিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঢাকার কামরাঙ্গীরচর নূরিয়া মাদরাসায় বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ৩৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৯টায় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচী শুরু হয়। বাদ মাগরীব মুনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচী সমাপ্ত হয়।

আমীরে শরীয়ত হাফেজ মাওলানা ক্বারী শাহ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন,  বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা মহান বুযুর্গ আমীরে শরীয়ত মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর নির্জন খানকাবাসী হয়েও কলহপূর্ণ রাজনৈতিক ময়দানে কেন অবতীর্ণ হয়েছিলেন, তা আমাদের মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তিনি রাজত্বের মোহে রাজনীতি করেননি। শুধুমাত্র অপরাজনীতির আগ্রাসনে আমাদের জাতিসত্ত্বাকে সর্বনাশের হাত থেকে রক্ষায় জাতীয় সংশোধনের পদ্ধতি হিসেবে তরীকতে তাসাউফের ফর্মুলায় দেশবাসীকে ভোটের দ্বারা ভোটের তওবার আহবান জানিয়েছিলেন এবং সেই সাথে আমলে সালেহ এর প্রতিযোগিতা হিসেবে আল্লাহর জমীনে আল্লাহর খেলাফত প্রতিষ্ঠার এক জবরদস্ত মেহনত বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। তিনি বলেছেন, আমার এই আন্দোলন কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়, আমার এ আন্দোলন হচ্ছে হক্ব ও ইনসাফ তথা দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করা।  তিনি ভোটের মাধ্যমে তওবার ভাষ্যপ্রদান প্রসংগে বলেন, ভোটের অর্থ হচ্ছে নীতি ও নেতৃত্বের প্রতি সঠিক বলে একটি সাক্ষী দেয়া অথচ দেখা যাচ্ছে, আমরা নির্বিচারে অপরাজনীতি ও দুর্নীতি পরায়ণ রাজনীতিকদের সঠিক বলে ভোট দিয়ে অব্যাহতভাবে মিথ্যা সাক্ষী দিয়ে মহাপাপ করে চলছি। আর এরই অনিবার্য পরিণাম স্বরূপ দেশ ও জাতি দিনদিন গভীর অরাজকতার মধ্যে নিপতিত হচ্ছে।

খেলাফত আন্দোলনের মহাসচীব মাওলানা মওলানা মুহাম্মদ জাফরুল্লাহ খান বলেন, একাধারে আল্লাহর আইন লঙ্ঘন অপরদিকে নিজেদের মধ্যে আত্মকলহ একটি জাতিসত্ত্বার বিরুদ্ধে খুবই মারাত্মক। আমরা বর্তমানে হানাহানির রাজনীতির এক ধ্বংসাত্মক অবস্থার মুখোমুখি। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ  পেতে অবিলম্বে আমাদেরকে তওবার দিকে ফিরে আমলে সালেহ হিসেবে খেলাফত প্রতিষ্ঠার মেহনতকে জোরদার করতে হবে। তিনি আরো বলেন, দেশে এখন একদল আরেকদলকে জানে-মালে নিশ্চিহ্ন করতে তীব্র প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। এটা খুবই কুলক্ষণ। ইতিহাস স্বাক্ষী, এভাবেই জাতির স্বাধীনতা হাত ছাড়া হয়ে যায়। এমতাবস্থায় বিবাদমান সকল পক্ষের মধ্যে আপোষ-সমঝোতা পয়দার লক্ষ্যে আমাদেরকে উদার হয়ে কাজ করতে হবে।

সম্মেলনে বংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সংখ্যালঘু বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা সিনিয়র সাংবাদিক সঞ্জীব চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে আজ রাজনৈতিক অংগনে চরম অনিশ্চয়তা ও অনাকাংখীত বিভেদ-বিভাজন চলছে। এই নেতিবাচক পরিস্থিতিতে আমি একজন বিশ্বাসী হিন্দু খেলাফত আন্দোলনের মত ইসলামী দল নামে পরিচিত একটি সংগঠনের সংগে একাত্ম হয়েছি – এর গুরুত্ব আপনাদের বুঝতে হবে। খেলাফত আন্দোলন ধন-সম্পদে উপচে পড়েছে এমন কোন সংগঠন নয়। আগামীকাল ভোট হলে পরশু ক্ষমতায় চলে যাবে তেমন কোন পরিস্থিতিও সামনে হাজীর নাই। তা সত্বেও আমি যে খেলাফত আন্দোলনের সংগে আছি এবং খেলাফত আন্দোলনও যে আমার সংগে আছে এর কারণ হচ্ছে আদর্শের ঐক্য। এই আদর্শের মূল কথা হলো আমরা যে যেই ধর্মে বিশ্বাসী হইনা কেন আজ ধর্মপ্রাণ মানুষেরা সক্রিয়ভাবে ঐক্যবদ্ধ হতে না পারলে আমাদের দেশেই শুধু নয়, বরং গোটা দুনিয়ায় নাস্তিকতার নামে শয়তানের রাজত্ব কায়েম হবে।


প্রতিনিধি সম্মেলনে  বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ,  জেলা প্রতিনিধি এবং আঞ্চলিক সমন্বয়কারীরা বক্তৃতা করেন ও আলোচনায় অংশগ্রহন করেন।  মফস্বল নেতৃবৃন্দ তাঁদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ পেশ করেন। খেলাফত আন্দোলনের মহা-সচীব মওলানা মুহাম্মদ জাফরুল্লাহ খান সকল অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন; তাঁকে সহায়তা করেন, মওলানা সুলতান মহীউদ্দীন, আযম খান, মুফতি ফখরুল ইসলাম এবং মওলানা মুজীবুর রহমান হামিদী।

 

Wednesday, November 4, 2015

Congratulations to the President and Prime Minister of Turkey on Landslide Victory of the AKP in Turkey

To: 
Honorable President Recep Tayyip Erdoğan, Republic of Turkey
Honorable Prime Minister Ahmet Davutoğlu, Republic of Turkey

Through the Ministry of Foreign Affairs of the Republic of Turkey

Assalamu Alaikum. Congratulations to the patriotic Islam loving people of Turkey who have again chose your Justice and Development Party (AKP) by landslide electoral victory.  Meanwhile we also specifically congratulate brother Adnan Oktar (Harun Yahiya) for his steadfast and relentless fierce support to your leadership and to the unity of the Ummah above sectarian divide.

May Allah bless you and your supporters. Our prayers are with you.


We remain, Your brothers in Islam in Bangladesh

Ata Ullah, Ameer-e-Shariah. 

Muhammad Zafarullah Khan, Secretary-General.


Bangladesh Khelafat Andolon
DARUL KHELAFAT
314/2, J.N. Shaha Road, 
Lalbagh Kellar Morr,
Dhaka-1211
BANGLADESH

Wednesday, September 9, 2015

Recommendation Against Extremism adopted as “Dhaka Declaration” in the Ulama Conference on 21st March 2007

Bismillahir Rahmanir Rahim

21/3/2007
Introduction:
People of all religions are observing their own religion In Bangladesh peacefully. In this situation, this Ulama Conference is accepting following recommendations against those who are destroying the peace and discipline of the country through creating different chaotic activities including bomb blast, terrorism and assassination; and trying to hinder natural lifestyles of the people badly creating panic and frightening environment.
1.       Who want to disorder natural environment spoiling peaceful environment; create chaos and harm, they are enemies of Islam. They deserve severe punishment in the hereafter. It is needed, if necessary, to take serious steps to stop their misdeeds. Allah Taa'la says in the Holy Quraan: “The recompense of those who wage war against Allah and His Messenger and do mischief in the land is only that they shall be killed or crucified or their hands and their feet be cut off on the opposite sides, or be exiled from the land.” (Al-Ma'idah:33)
2.       Allah Taa'la says in the Holy Quraan: ''that if anyone killed a person not in retaliation of murder, or (and) to spread mischief in the land - it would be as if he killed all mankind, and if anyone saved a life, it would be as if he saved the life of all mankind.'' (Al-Ma'idah:32). Presently, those who are killing human being by bomb blasts or any other illegal ways are the killers of whole mankind. They are not only the enemies of Islam; rather they are enemies of whole mankind.
3.       If any kinds of enmity arise toward any country, nation or race due to any cause, there is no permissibility in Islam to treat them with injustice ways. Allah Ta’ala says: ''and let not the enmity and hatred of others make you avoid justice. Be just: that is nearer to piety, and fear Allah. Verily, Allah is Well ­Acquainted with what you do''. (Al-Mumtahina:8-9)
4.       In a peaceful society, where all citizens fully enjoy their social, economic and religious rights, creation of anarchy is not approvable by any means. In such cases peaceful co-existence policy is a duty of every citizen. Jihad, Qital or fighting of Islam aims at establishing peace, safety and security, not at destroying them. Once a man asked Sa’ad (R.) : has not Allah Ta'ala said : “fight against them until temptation is removed and 'Deen' becomes for Allah only”. Then Sa’ad said: ''We have fought until temptation has been removed and you and your companions want to create temptation'' (Sahih Muslim). It is clear that there is no scope for the creation of anarchy in a civilized, stable and peaceful society.
5.       It is one of the major responsibilities of the state to take measures according to rules against terrorists after arresting them in order to ensure peace and security of the common people of the country. Today's conference is fervently appeal to all concerned to discharge this responsibility properly.
6.       It is very necessary to hand over the persons carrying out bomb explosions and terrorist activities in peaceful atmosphere. This conference fervently appeals to all peace-loving citizens : if they know their whereabouts and activities they should inform the same to law enforcing agencies.
7.       Islam is a simple and well-balanced code of life. Extremism is not acceptable in Islam. Allah wishes easiness for His servants not hardship for them Allah Ta’ala says: “Allah wants easiness for you; not hardship for you.” (Surah Al- Baqarah: 185)
8.       Recently we have been learning about confused explanation of Islam, Iman, Kufr, Nifaq, Shirk, Jahiliah and Jihad from some persons. Consequently extremism arises in the society. This conference strongly believes that superficial knowledge about the different important aspects of Islam and the lack of proficiency in Arabic language are attributable to this confusion and erroneous explanations. So, this conference fervently calls all people of the country to reject those who are spreading confusion among the people by putting up strange explanation of different aspect of Islam disregarding the views of the authentic scholars.
9.       Because of extremist attitude and superficial knowledge, a group of people trying to establish Islamic Government through violence instead of the disciplined codes prescribed by our religion. But unfortunately such extreme views have been receiving undue circulation among the common people due to the lack of proper understanding of 'Islam' and 'Shariah' from the authentic sources of reliable Islamic scholars, books and publications. This conference urges upon all concerned to be careful of acquiring knowledge from such half-educated people. This conference also advises all concerned to consult knowledgeable Ulamas for perfect and unequivocal knowledge about all aspects of 'Shariah'. 
10.     Before taking measures against anyone on charge of bomb explosions and terrorism, it is very essential to make proper investigation against the charge according to the rules, so that Justice is not denied and Human Rights is not violated.
11.     People arrested on charge of their involvement in any act of terrorism or indiscipline are considered innocent until their crimes are proved. It is, therefore, not lawful by no ways to term any body as terrorist or to dishonor him carrying out propaganda against him.
12.     It is not desirable to arrest any citizen for harassment or oppress him in remand without any witness and evidence. It is also not desirable to create terrible and frightening environment in the society in the name of arrest.
13.     It is very necessary to take enough measures to rectify the spirit and thought of citizens who choose self destructive way of terrorism and explosions inspired by the wrong faith and idea.  This conference calls the Government to keep it’s door of negotiation and forgiveness open if anyone wants to leave this kinds of crime and come back to the right path.
14.     Bomb explosions, terrorism and suicide attack is a national problem which deserves unified effort. This conference believes that the cordial effort of every conscience citizen of the country can make the problem solved without blaming each other. So, the conference fervently calls people of all levels including political parties, religious leaders and leaders of different professional organizations and journalists of Electronic and Print media to come forward to solve the problem.
15.     According to Islam suicide is a Kabirah (Great Sin). If anyone kill himself his destination will be the Jahannam (Hell). Allah Taa’la says: “And you shall not kill yourselves.  Allah is merciful to you”. The messenger of Allah said: “Who make suicide by any instrument of this Earth; he will be punished in the Hereafter by the same thing”. The messenger of Allah also said: “A person was wounded in the Jihad and he made suicide for not enduring the pain of wound, then Allah Taa’la said: “My servant took his life himself early, so I made my Jannah (Heaven) prohibited for him”.
So, according to Islam, those who are killing themselves by making suicide attacks in Bangladesh, they are involved in great sin.

اللهم وفقنا لما تحب وترضى من القول والفعل والعمل والنية والإرادة والهدى- إنك على كل شيئ قدير.

২১ মার্চ ২০০৭ ঈসায়ী তারিখে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উলামা সম্মেলনে গৃহীত চরমপন্থা বিরোধী ‘‘ঢাকা ঘোষণা”

২১//২০০৭
ভূমিকাঃ
বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে তাদের ধর্ম পালন এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করে যাচ্ছে এমতাবস্থায় যে বা যারা বোমাবাজি, সন্ত্রাস, গুপ্তহত্যাসহ নানাবিধ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্ট করছে, সর্বত্র ত্রাস ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাপন প্রক্রিয়া নস্যাৎ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে তাদের ব্যাপারে আজকের এই ঐতিহাসিক উলামা সম্মেলন নিম্নোক্ত প্রস্তাব অনুমোদন করছে

১.      যে বা যারা শান্তিপূর্ণ সুন্দর পরিবেশ বিনষ্ট করে তা অশান্ত করতে চায়; দেশে বিশৃঙ্খলা ফেৎনার সৃষ্টি করে, এরা ইসলামের দুশমন আল কুরআনের ভাষ্য অনুযায়ী আখিরাতে এদের জন্য রয়েছে কঠোরতম শাস্তি এদের অপকর্ম রোধে এদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা একান্ত জরুরী এদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে বিষয়ে পবিত্র কুরআনে কারীমের সূরা মায়িদার ৩৩ নং আয়াতে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা রয়েছে

.      বর্তমানে যে বা যারা বোমাবাজি অথবা অন্য কোন আইনবহির্ভূত পন্থায় মানুষ হত্যা করছে; পবিত্র কুরআনের নিম্নোক্ত আয়াতের আলোকে এরা গোটা মানবজাতির হত্যাকারী এরা শুধু ইসলামের দুশমন নয়; বরং গোটা মানবজাতির দুশমন

          আল্লাহ্ তাআলা ইরশাদ করেন- “সংগত কারণ ছাড়া (কারো খুনের বদলা কিংবা পৃথিবীতে সন্ত্রাস সৃষ্টির অপরাধ ব্যতীত) যদি কেউ কোন একটি মানুষ হত্যা করে সে যেন সমগ্র মানব সত্বাকে হত্যা করে অপরদিকে যে ব্যক্তি অন্যায় হত্যার কবল থেকে একটি জীবন রক্ষার ব্যবস্থা করলো, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করলো” (সূরা আল মায়েদা, আয়াতঃ ৩২)

          আল্লাহ তাআলা অন্য আয়াতে এরশাদ করেন-যে মানুষ হত্যাকে আল্লাহ্ তাআলা হারাম করেছেন অন্যায়ভাবে তাকে হত্যা করোনা” (সূরা আল আনআম, আয়াতঃ ১৫১)

.      কোন দেশ, জাতি বা গোষ্ঠীর প্রতি কোনভাবে শত্রতা সৃষ্টি হয়ে থাকলে ন্যায়ানুগ নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় তা নিরসনের চেষ্টা চালাতে হবে, অন্যায় ইনসাফ বহির্ভূত পন্থায় তাদের সাথে আচরণ করা সম্পূর্ণ নাজায়েয আল্লাহ্ তাআলা ইরশাদ করেনÑ“কোন জাতির প্রতি শত্রতা যেন তোমাদেরকে বেইনসাফী করতে প্ররোচিত না করে ইনসাফ কর, তা তাকওয়ার অধিক নিকটবর্তী” (সূরা মায়িদা, আয়াত নং-)

          আল্লাহ্ তাআলা অন্যত্র বলেনঃদ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে স্বদেশ হতে বের করে দেয়নি তাদের প্রতি মহানুভবতা প্রদর্শন ন্যায় বিচার করতে আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে নিষেধ করেন না আল্লাহ তাআলা ন্যায় পরায়নদেরকে ভালবাসেন (সূরা মুমতাহিনা, ০৮)

.      একটি শান্তিপূর্ণ সমাজে, যেখানে সকল নাগরিক তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ধর্মীয় অধিকার পুরোপুরি ভোগ করে থাকে, সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি কোন ক্রমেই অনুমোদন যোগ্য নয় এরূপ ক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রতিটি নাগরিকের একান্ত কর্তব্য ইসলামের জিহাদ, কিতাল বা লড়াই হলো শান্তি, স্বস্তি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য, এগুলো বিঘিœ করার জন্য নয়

          একদা এক ব্যক্তি হযরত সা রাদি আল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহ তাআলা কি বলেন নি যেতোমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই কর যতক্ষণ না ফিতনা ফাসাদ দূরীভূত হয় এবং দ্বীন আল্লাহরই জন্য হয়তখন হযরত সা রাদি আল্লাহু আনহু বললেন, “আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত লড়াই করেছি যতক্ষণ না ফিতনা ফাসাদ নির্মূল হয়েছে; আর তুমি তোমার সাথীগণ লড়াই করতে চাও ফিতনা সৃষ্টির জন্যএতে বুঝা যায় একটি  সভ্য, স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ অবস্থানে জিহাদ ক্বিতালের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অবকাশ নেই

.      দেশের সাধারণ নাগরিকদের শান্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি সম্মেলন উদাত্ত আহবান জানাচ্ছে

.      বর্তমানে যারা বোমাবাজি সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে এদেরকে আইনের হাতে সোপর্দ করা অতি জরুরী এদের অবস্থান এবং কার্যকলাপ সম্পর্কে জানা থাকলে তা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত করার জন্য সম্মেলন সকল শান্তিপ্রিয় নাগরিকদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানাচ্ছে

.      ইসলাম সহজ-সরল ভারসাম্যপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা একগুয়েমি চরমপন্থা ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয় আল্লাহ তাআলা বান্দাদের জন্য সহজ সাধ্যতা চান; কাঠিন্য চান না আল্লাহ তাআলা বলেনÑ “এটি তোমাদের রবের পক্ষ থেকে সহজ ব্যবস্থা অনুগ্রহ” (সূরা আল-বাক্বারা, আয়াতঃ ১৭৮) তিনি ইরশাদ করেন-আল্লাহ তাআলা তোমাদের জন্য সহজ করতে চান এবং তোমাদের জন্য জটিলতা চান না
(সূরা আল-বাক্বারা, আয়াতঃ ১৮৫)

          অন্যত্র আল্লাহ তাআলা বলেন- “আল্লাহ তাআলা তোমাদের উপর কোন অসুবিধা চাপিয়ে দিতে চান না” (সূরা মায়িদা, আয়াতঃ ) তিনি আরো বলেন-আল্লাহ তাআলা তোমাদের ভার হালকা করতে চান, কারণ মানুষকে দুর্বলভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে” (সূরা আন নিসা, আয়াত  ২৮)

          রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- “সহজ কর, কঠিন করো না, সুসংবাদ প্রদান কর, হতাশ করো নাহাদীস...

.      ইদানিং সমাজে ইসলাম, ঈমান, কুফর, নিফাক, শিরক, জাহিলিয়াত, জিহাদ ইত্যাদি সম্পর্কে কিছু লোকের মুখে বিভ্রান্তিমূলক ব্যাখ্যা শোনা যাচ্ছে এর ফলে আবির্ভাব ঘটছে চরমপন্থার সম্মেলন মনে করে ইসলামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক সম্পর্কে অগভীর জ্ঞান, আরাবী ভাষায় ব্যুৎপত্তির অভাব এই বিভ্রান্তি এবং ভ্রান্ত ব্যাখ্যার জন্য বহুলাংশে দায়ী অতএব গভীর জ্ঞানী লোকদের ব্যাখ্যা পরিত্যাগ করে যারা ইসলামের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে নতুন নতুন ব্যাখ্যা পেশ করে ইসলাম সম্পর্কে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করার জন্য দেশের আপামর জনসাধারণের প্রতি মহা সম্মেলন উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে

.      বাড়াবাড়ি অগভীর জ্ঞানের ফলে আজকাল এক শ্রেণীর লোক নিয়মতান্ত্রিক পন্থার পরিবর্তে সশস্ত্র পন্থায় ইসলামী শাসন কায়েমের জন্য বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে শরীয়তের বিভিন্ন বিষয়ের তাৎপর্য অনুধাবন না করা, নির্ভরযোগ্য কিতাবাদি এবং মুহাক্কিক উলামায়ে কেরামের কাছ থেকে ইসলামের শিক্ষা লাভ না করার কারণে অনেক ক্ষেত্রে এরূপ চরমপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি বিস্তার লাভ করছে আজকের সম্মেলন এসব স্বল্প জ্ঞানী লোকদের কাছ থেকে জ্ঞান আহরণের ব্যাপারে খুবই সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ প্রদান করছে সম্মেলন শারীআহর বিভিন্ন দিক সম্পর্কে সঠিক নির্ভুল জ্ঞান লাভের জন্য নির্ভরযোগ্য কিতাবাদি এবং মুহাক্কিক্ব আলিমগণের শরণাপন্ন হওয়ার প্রতি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি পরামর্শ প্রদান করছে

১০.   বোমাবাজি সন্ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগে কোন ব্যক্তির ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার পূর্বে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ যথার্থ আইনানুগ পন্থায় যাচাই-বাছাই এবং সুষ্ঠু তদন্ত করা অপরিহার্য যেন ন্যায় বিচার দলিত-মথিত এবং মানবাধিকার লংঘিত না হয়

১১.    বোমাবাজি, সন্ত্রাস বা বিশৃঙ্খলামূলক কোন কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি নির্দোষ বলে গণ্য অতএব, সুষ্ঠু তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পূর্বে এরূপ কোন ব্যক্তিকে সন্ত্রাসী বা জঙ্গী হিসেবে চিহ্নিত করা বা তার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়ে তার সম্মান হানি করা কোন ক্রমেই জায়েয নেই অতএব এরুপ কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার জন্য আজকের সম্মেলন যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে

১২.   কোন ধরনের সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়া হয়রানিমূলকভাবে কোন নাগরিককে গ্রেফতার করা বা গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন চালানো জায়েয নেই নির্বিচারে ধরপাকড় করে সমাজে ত্রাস ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে নাগরিক জীবনকে দুর্বিসহ করে তোলা কোনক্রমেই কাম্য নয়

১৩.   যে সব নাগরিক ভ্রান্ত বিশ্বাসে সন্ত্রাস বোমাবাজির মতো আত্মঘাতী পথ বেছে নিয়েছে তাদের চিন্তা-চেতনা বিশ্বাসে সংশোধনী আনার জন্য ব্যাপক পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন তারা এসব অপকর্ম ছেড়ে সঠিক রাস্তায় ফিরে আসতে চাইলে শান্তির স্বার্থে আলোচনা সাধারণ ক্ষমার দরজা খোলা রাখতে সরকারের প্রতি সম্মেলন আহ্বান জানাচ্ছে

১৪.    বোমাবাজি, সন্ত্রাস আত্মঘাতী হামলা একটি জাতীয় সমস্যা সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন সম্মিলিত ঐক্যবদ্ধ আন্তরিক প্রয়াস পারস্পরিক দোষারোপ না করে দলমত পেশা নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিক আন্তরিকভাবে সমস্যা সমাধানে প্রচেষ্টা চালালে এর সমাধান সম্ভব বলে আজকের সম্মেলন মনে করে অতএব, সকল রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ইলেক্ট্রোনিক প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ সর্বস্তরের জনগণকে সংকট নিরসনে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসার জন্য সম্মেলন উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে

১৫.   ইসলামের দৃষ্টিতে আত্মহত্যা করা তথা নিজেকে নিজে হত্যা করা কবীরা গুনাহ কোন ব্যক্তি নিজেকে হত্যা করলে তার পরিণাম জাহান্নাম মহান আল্লাহ তাআলা বলেন- “আর তোমরা তোমাদর নিজেদেরকে হত্যা করো না অর্থাৎ আত্মহত্যা করো না, আল্লাহ তোমাদের উপর অতিশয় দয়ালু” 
(সূরা নিসা, আয়াতঃ ২৯

রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দুনিয়ার কোন জিনিস দ্বারা নিজেকে হত্যা করবে, কিয়ামত দিবসে জিনিস দ্বারা তাকে শাস্তি দেয়া হবে 
(বুখারী  ৬০৪৭, মুসলিম ১৭৬

রাসুল (সা.) আরো বলেছেন- “এক ব্যক্তির শরীরে প্রচণ্ড যখম বা ক্ষত ছিল, সে ক্ষতের জালা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করলো তখন আল্লাহ তায়ালা বললেন, “আমার বান্দা তাঁর জীবন নিয়ে আমার উপর তরান্বিত করলো জন্য আমি তার জন্য বেহেশত হারাম করলাম” (বুখারীঃ ১৩৬৪, মুসলিমঃ ১৮০)


অতএব যারা বাংলাদেশে আত্মঘাতি বোমা হামলা চালিয়ে নিজেদের জীবনকে বিসর্জন দিচ্ছে তারা ইসলামের দৃষ্টিতে বড় রকমের অপরাধী