Wednesday, January 25, 2017

2005 Letter to BBC Regarding their Campaign Against Schooling Faith in Islam

From 2005 Archive of Bangladesh Khelafat Andolon::

Dear Executives in the BBC,

Mr. Roland Buerk in his write-up dated 26/2/2005 like many Whiteman and their Afro-Asian agents expressed concern about "Schooling Faith" in Islam. 

We understand very well that the so-called "Islamic Militancy" is not their main concern, rather they themselves love to create "Islamic Militants" and love to supply them fund, training and explosives to create excuse for banning "Schooling Faith" in Islam.

The root of the problem lies in Whiteman's obsession to rule the world forever.  European Renaissance and Industrial Revolution in Europe created vested interests who want to rule the world forever by the values and institutions of atheism, materialism, colonialism, opportunism, hedonism, fornication and by all the vices evil mind can think of.

It is a Blessing of God that the vested interests have at length been broken. Their musclemen have leaned to Christianity and their intellectuals without the backing of the muscle is now beating about the bush in frustration. Their intellectuals can not suppress their happiness that Talebans and Saddam are gone. But their craze to win some position through anti-war cries continues.

Those who do not have the compassion to look after their parents at  their old age, want to teach the Afro-Asian nations about Human Rights and Good Governance. Obviously their aim is neither HR not Good Governance. Their aim is to manipulate to keep their domination over the world forever.  And that's nonsense. And they are already losing this battle.

I have been a member of Bangladesh Khelafat Andolon for more than 20 years and have been its International Affairs Secretary and Adviser to Jamia Nooria Madrasa  for about 8 years. I am very close to the Islamic Clerics and Non-Gov't Madrasa system (i.e. Quaumi Madrasa) and its pupils and teachers. I honestly and sincerely support the Talebans and the freedom fight in Afghanistan and Iraq, though I agree that they are human beings and they are not immune from wrongs and errors.  But like my compatriots I strongly pursue a policy of not taking up arms in so long we enjoy Freedom of Expression Bangladesh.

Founder of Bangladesh Khelafat Andolon, Late Hazrat Maulana Muhammadullah Hafezzee Huzur (Peace of God be upon him), is also one of the founders of the Non-Government Madrasa System in Bangladesh. He often said in both indoor and public meetings, “Muslims are our brothers in religion, but Hindus are our kin.  We are all progeny of our earliest parents Adam & Eve (Blessings of God be upon them).”  But BBC’s Mr. Roland Buerk’s local guide took him to the so-called madrasa child student in Narayangonj who said to Burek “I want to spread Islam, to convert Hindus into Muslims”. I am sure this part of the report is blatant lie.   I am curious to meet Mr. Burek’s guide and the so-called Madrasa student he interviewed.  Most likely it is a concocted story in line with Indian campaign to pressurize the rulers for a crackdown on Islamic institutions in Bangladesh. Also they probably hope that even BNP could be their perfect puppet had the Islamic clerics were not in the BNP-led alliance. 

So far we know, the recently banned Jamatul Muzahideen and its founder and leader the self-styled “Shaikh” Abdur Rahman is an Indian agent. His wife is the sister of Mr. Mirza Azam MP, General Secretary of Awami Jubo League.  Soon after the current 4-Party Alliance formed Government in Bangladesh, Miraza Azam sent “Shaikh” Abdur Rahman to India. Shaikh” Abdur Rahman was most likely under Indian intelligence for more that 6 months for orientation, fund and explosives. 

It is true that situation for quick growth of Islamic militancy all over the Muslim world exist.  But if the liberal space for Islamic clerics and activists is not shrunken, they are unlikely to choose the path of armed struggle in Bangladesh. 

Best regards,

Kazi Azizul Huq,

International Affairs Secretary, 

Tuesday, January 17, 2017

মাওলানা আতাউল্লাহ আমীর ও হাবীবুল্লাহ মিয়াজী মহাসচিব নির্বাচিত : খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

১৬ জানুয়ারী ২০১৭ সোমবার সকাল ১০টায় রাজধানী ঢাকার কামরাঙ্গীরচরস্থ জামিয়া নূরিয়া ইসলামিয়া মিলনায়তনে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ‘মজলিসে শুরা- কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ২০১৭’ অনুষ্ঠিত হয়। মাওলানা আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে খেলাফত আন্দোলনের শুরা নেতৃবৃন্দ ও জেলা প্রতিনিধিগণ বক্তব্য রাখেন। সকলের মতামতের ভিত্তিতে মাওলানা ক্বারী শাহ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর আমীর নির্বাচিত হন। নির্বাচিত আমীর দলের মহাসচিব পদে মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজীর নাম ঘোষণা করেন। শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে।
সভাপতির ভাষণে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন প্রধান, আমীরে শরীয়ত মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর বলেছেন, একমাত্র কোরআনের আদর্শ বাস্তবায়নেই সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল হয়ে বিশ্বময় শান্তি প্রতিষ্ঠা হতে পারে। খেলাফত শাসন ব্যবস্থাই ইনসাফ -ন্যায় বিচার ও মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করেছে। এ জন্যই মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বিশ্ববাসীর শান্তির জন্য খেলাফত শাসন ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করেছেন। যুগশ্রেষ্ঠ বুযুর্গ হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. আল্লাহ প্রদত্ত সেই মহা দায়িত্ব পালনার্থে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন নামে একটি ব্যতিক্রমধর্মী রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেছেন। খেলাফত আন্দোলন অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মত নয়। তার কথা- কর্মসূচীও অন্যদের মত নয়। হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. বলেছেন- আমার এ দলের লোকেরা একদিন ইমাম মাহদী আ. এর সৈনিকদের অন্তর্ভূক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।
কাউন্সিলে বক্তব্য রাখেন- দলের সাবেক মহাসচিব মাওলানা জাফরুল্লাহ খান, মাওলানা ফারুক আহমাদ, আলহাজ্ব আনিসুর রহমান জিন্নাহ, মাওলানা মুজীবুর রহমান হামিদী, হাজী জালালুদ্দীন বকুল, আলহা্জ্ব আব্দুল মালেক চৌধুরী, মাওলানা সানাউল্লাহ বিন আতাউল্লাহ, মুফতি মুজীবুর রহমান, মাওলানা মীর ইদরীস, মাওলানা ইসহাক নগরী, মাওলানা ইউসুফ সাদেক হক্কানী, মাওলানা সুলতান মহিউদ্দীন, মাওলানা আবু তাহের, মুফতি আ ফ ম আকরাম হুসাইন, মাওলানা আব্দুল হাই, মাওলানা জিয়াউল হক শহীদি, এডভোকেট আব্দুল আজীজ, মাওলানা আব্দুর রাশেদ, জনাব আব্দুর রকিব, মুফতি আব্দুল বারী, জনাব রোকনুজ্জামান রোকন, মাওলানা সানাউল্লাহ ফিরোজসহ বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধিবৃন্দ।
নবনির্বাচিত মহাসচিব মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী সকলের দোয়া ও সহযোগিতার আহবান জানিয়ে বলেন, আপনাদের সকলকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনকে হাফেজ্জী হুজুরের চিন্তা-চেতনামত সংগঠনের কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।
বার্তা প্রেরক
মাওলানা সুলতান মহিউদ্দীন
প্রচার সদস্য
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন

Sunday, January 8, 2017

রাষ্ট্রপতির সাথে খেলাফত আন্দোলনের সংলাপ অনুষ্ঠিত Bangladesh Khelafat Andolon dialogue with the Honorable President of Bangladesh

DHAKA, 8 January 2017. Bangladesh Khelafat Andolon 10 member delegation led by Hazrat Shah Ataullah ibn Hafezzee Huzur today met in dialogue in Bongobhaban with the Honorable President of the People's Republic of Bangladesh Mr. Advocate Abdul Hamid

রাষ্ট্রপতির সাথে খেলাফত আন্দোলনের সংলাপ অনুষ্ঠিত
সংলাপে লিখিত বক্তব্য ও  প্রস্তাবাবলি


মহামান্য রাষ্ট্রপতি
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
বঙ্গভবন, ঢাকা।

মহান প্রতিপালক আল্লাহ রাব্বুল আলামীন, আহকামুল হাকিমীনের অসংখ্য শুকরিয়া আদায় শেষে আপনাকে জানাচ্ছি আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ যে,আপনি নির্বাচন কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপের মহান উদ্যোগ গ্রহণ করতঃ বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনকে আমন্ত্রন জানিয়েছেন। আমরা ঐ সকল বীরমুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি ও তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি যারা বাংলাদেশকে স্বাধীন করা এবং দেশের জনগণের ন্যায্য ও সাংবিধানিক অধিকার, গণতন্ত্র, সাম্য ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে জীবন উৎসর্গ করেছেন।
আপনি আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি,রাষ্ট্রের অভিভাবক তথা গোটা জাতির মুরুব্বী। আপনি এখন কোনো দলীয় ব্যক্তিত্ব নন। তাই আশা করি আপনি আমাদের কথা আন্তরিকতার সাথে শুনবেন এবং সুবিবেচনায় রাখবেন। সময়োপযোগী ঐতিহাসিক  এ সংলাপে দেশে বিরাজমান রাজনৈতিক সংকট ও পরস্পরের সংঘাত-অবিশ্বাস হ্রাস পাবে এবং গুণগত পরির্বতনের দারও উন্মুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।

মহামান্য রাষ্ট্রপতি!
দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকটের কারণ অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন না হওয়া। এতে গণতান্ত্রিক রাজনীতি যেমন বিপন্ন হয়ে পড়েছে তেমনি আর্ন্তজাতিকভাবেও বাংলাদেশের ভাবমর্যাদার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। এই অব¯হা থেকে উত্তরণের জন্য একটি শক্তিশালী, সক্ষম, নিরপেক্ষ, দক্ষ ও যোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন করা আবশ্যক। যে নির্বাচন কমিশন প্রত্যাশিত নির্বাচন অনুষ্ঠানে সফল হবে এবং তার মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সংকটের অবসান ঘটবে। এ জন্য গোটা জাতি এখন তাকিয়ে আছে রাষ্ট্রের অভিভাবক মহমান্য রাষ্ট্রপতির কার্যকর ভূমিকার দিকে।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রস্তাবাবলি

১। নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত একটি আইন করার যে নির্দেশনা সংবিধানে আছে, সে অনুযায়ী আজ ৪৫বছরেও কোনো স্থায়ী আইন করা হয়নি। আইন হলে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে কখনো বির্তক হতো না । নির্বাচন কমিশন গঠনে আইনের অনুপস্থিতিতে সার্চ কমিটি গঠন করতে হচ্ছ্।ে সার্চ কমিটি দল নিরপেক্ষ ব্যক্তি না হলে দলনিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করা সম্ভব নয়।

অতএব দেশ ও জাতির স্বার্থে অবাধ, সুষ্ঠু, অর্থবহ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্যে সকল দলের ঐক্যমতের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠনের ব্যাপারে সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী একটি স্থায়ী আইন প্রণয়ন করা সময়ের দাবী।

২। সৎ, নিষ্ঠাবান, যোগ্যতাসম্পন্ন এবং নিরপেক্ষ- নির্দলীয় ব্যক্তির সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করা। কমিশনারগণ ব্যক্তিগতভাবে কোন দলের হলেও নীতিগতভাবে আল্লাহ ভীরু, দৃঢ়চেতা, সৎ, ইনসাফ পছন্দ ও ন্যায়-নীতি পরায়ন হওয়া অতীব জরুরী। এমন গুণে গুণান্বিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে আপনার দূরদর্শিতায় সংবিধান মতে কমিশন গঠন করবেন- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

৩। আমরা মনে করি, নির্বাচন কমিশনে অনুর্ধ ৫ জন কমিশনার আবশ্যক, তন্মধ্যে একজন শুধু নির্বাচনী মামলা মোকাদ্দমা নিষ্পত্তি করবেন। যাতে নির্বাচনে অংশ গ্রহণকারীদের ভোগান্তির শিকার হতে না হয়।

৪। নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনে সাধারণত সবাই নতুন থাকেন। যাদের নির্বাচন বিষয়ে পূর্ব অভিজ্ঞ থাকে না। তাই একাধিক ধাপে নির্বাচন কমিশন নিয়োগ দেয়া। এতে নির্বাচন কমিশনের ধারাবাহিকতা রক্ষা হবে এবং পূর্বের অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে।

৫। নির্বাচন কমিশন গ্রহণযোগ্য হওয়ার প্রত্যয়ে মহাজোটের প্রস্তাবে একজন, ২০ দলীয় জোটের প্রস্তাবে একজন আর ইসলামী নেতৃবৃন্দ ও আলেমদের প্রস্তাবে একজন - এইতিনজন এবং প্রধান কমিশনারসহ দু’জন আপনার পছন্দমত নিরপেক্ষ কমিশনার মনোনীত করা যেতে পারে।

৬। বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশের মত বাংলাদেশেও যেন নির্বাচন কমিশন বাস্তবই স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং স্বায়ত্ব  শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজ দায়িত্ব পালনে সক্ষম হয়।

৭। নির্বাচনে ধর্ম বিদ্বেষী, চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ, কালোটাকার মালিক, অবৈধ সম্পদকে বৈধকারী, খুনি, সন্ত্রাসী ও সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী এবং ঋণখেলাপীদের সাথে জড়িত পরিবারবর্গকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে, অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে মাদকাসক্ত ব্যক্তিকেও, নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি মেডিক্যাল টেষ্টে মদ, গাঁজা ফেন্সিডিল, হিরোইন সেবনের প্রামাণ পাওয়া যায়, তাহলেও তার সদস্যপদ বাতিল করা উচিত।

৮। বিগত দিনে দেশের বৃহৎ দুটি দলের যৌথ পদক্ষেপে এবং বহু অর্থব্যয়ে “তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা” প্রবর্তিত হয়েছিল, ফলে জাতির মধ্যে প্রফুল্লতা এসেছিল, পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তা বাতিল করায় দেশে রাজনৈতিক সংকট প্রকট হয়েছে, ক্রমেই রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অবিশ্বাস বাড়ছে। অতএব আমরা মনে করি গণদাবীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উচ্চ আদালতের রায়ের ভিত্তিতে আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার আলোকে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পূর্ণবহাল করা প্রয়োজন।  কারণ দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশন যতই নিরপক্ষ হোক, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে পারবেনা। সম্ভবও নয়।

 মহামান্য রাষ্ট্রপতি!
আমরা আশা করি বর্তমান দেশের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে এবং নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয়     নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রস্তাবাবলি সহায়ক হবে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির দীর্ঘ সংসদীয় ও নির্বাচনী অভিজ্ঞতা দূরদর্শী বলিষ্ঠ নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন সম্পর্কিত বিতর্কের চির অবসান ঘটবে।
আল্লাহ তা’আলা আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে দেশ ও জাতির কল্যাণে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের তৌফিক দান করুন এবং সুস্থতার সাথে আপনাকে দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুন। আমিন, ইয়া রব্বাল আ’লামিন।


হাফেজ মাওলানা ক্বারী আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর
                     আমীরে শরীয়ত  (চেয়ারম্যান)
                     বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন


নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটি নির্ধারণের লক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশগ্রহন এর জন্য বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন এর প্রতিনিধিগন

হাফেজ মাওলানা ক্বারী শাহ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর
মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী
আলহাজ আনিসুর রহমান জিন্নাহ
মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী
মাওলানা সানাউল্লাহ
মুফতী সুলতান মহিউদ্দীন
মাওলানা আব্দুল মান্নান
আলহাজ মোহাম্মদ জালালুদ্দীন বকুল
মাওলানা মিনহাজুদ্দীন
এডভোকেট লিটন চৌধুরী

‌‌‌ দলীয় প্রধান মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুররে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মুফতী সুলতান মহিউদ্দীন, সাংবাদিকদরে ব্রিফিং দেন মাওলানা মজিবুর রহমান হামিদী।

Friday, November 25, 2016

কুনুতে নাজেলা (বাংলা উচ্চারণ)

আল্লাহুম্মাহদিনা ফী মান হাদাইতা ওয়াআফিনা ফীমান আফাইতা ওয়া তাওয়াল্লানা ফী মান তাওয়াল্লাইতা ওয়া বারিকলানা ফীমা আতো আইতা, ওয়াক্বিনা শাররা মা ক্বাজাইতা ফাইন্নাকা তাক্বজি ওয়ালা ইয়ুক্বজা আলাইকা, ওয়া ইন্নাহু লা ইয়াজিল্লু মাঁও ওয়ালাইতা ওয়ালা ইয়াইজ্জু মান আদাইতা তাবারাকতা রাব্বানা ওয়া তালাইতা নাস্তাগফিরুকা ওয়ানাতুবু ইলাইকা ওয়াছাল্লাল্লাহু আলান্নাবিয়িল করিম

আল্লাহুম্মাগফিরলানা ওয়ালিল মুমিনিনা ওয়াল মুমিনাতি ওয়াল মুসলিমিনা ওয়াল মুসলিমাতি ওয়া আল্লিফ বাইনা কুলুবিহিম ওয়া আছলেহ যাতা বাইনিহিম ওয়ানছুরনা আলা আদুবিকা ওয়া  দুবিহিম

 আল্লাহুম্মাল আনিফ কাফারতা আল্লাজিনা ইয়া ছুদ্দুনা আনছাবিলিক ওয়া ইয়ু কাজ্জিবুনা রুছুলাক ওয়া ইয়ু ক্বাতিলুনা আউলিয়াকা আল্লাহুম্মা খালিক বাইনা কালিমাতিহিম ওয়া জালজ্জিল আক্বদামাহুম ওয়া আনজিল বিহিম বা আছকাল্লাজী লা তারুদ্দুহু আনিল ক্বওমিল মুজরিমিন

সংক্ষিপ্ত ভাবার্থঃ

উপরোক্ত কুনুতে নাজেলা দোয়ার মাধ্যমে মুসলমানদের নিরাপত্তার জন্য আল্লাহর সাহায্য চাওয়া হয়েছে মুসলমানদের পরস্পরের মধ্যে মিল-মহব্বতের জন্য এবং নিজেদের মধ্যকার কলহ দুরের জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে শত্রুদের উপর বিজয় চাওয়া হয়েছে শত্রুদের শক্তি খর্ব ও তাদের প্রতি আল্লাহপাকের কঠোর শাস্তি কামনা করা হয়েছে

Wednesday, October 12, 2016

Divine Recognition is Enough -Shah Ataullah (Re: Qaumi Madrasa Sanad (certificate) recognition controversy)


DHAKA, 12 Oct.2016: Bangladesh Khelafat Andolon chief, Ameer-e-Shariat Hazrat Maulana Shah Ataullah Ibne Hafezzee Huzur said, Darul Uloom Deobond since its foundation has been serving the religion for about 150 years with the cooperation of the Muslim nation. Till date Darul Uloom Deobond have not demanded any recognition from the government. But the government voluntarily accorded recognition to the certificate of Deobond. Similarly we (as followers of Deobond) do not seek government recognition. Teachers and students of Qaumi madrasas teach-learn for the sake of Allah’s pleasure, not for seeking employment. Divine recognition is enough for them. Those who seek education for preparing themselves for employment do not enroll as student in Qaumi madrasas; rather from the beginning they choose government controlled madrasas for their education.  We have no objection if the government unconditionally and voluntarily accord recognition to “Qaumi Sanad” (Qaumi madrasa certificate). But any deception in the pretense of recognition will be resisted. Hazrat Hafezzi Huzur (R.A.) used to say “Seeking government recognition tantamount to treachery and deception with Deobondi track”.  For “Qaumi Sanad” we seek neither evaluation nor recognition from the government. Whatever we seek, we seek from Allah. 

On 11 October 2016 Tuesday, Hazrat Shah Ataullah was exchanging his views with the clergies at Jamia Nooria Islamia of Kamrangirchar, Dhaka.

Maulana Ataullah further said, any step or tactic to control Qaumi madras would not be good for the government. We do not want any harm for the government. Hazrat Hafezzi Huzur (R.A.) said, Qaumi madras of this country are fortresses of Islam. Allah Rabbul Alamin has been protecting Islam in our age by His fortresses. Therefore, those who want to harm Allah’s fortresses shall suffer consequences. Qaumi madrasa teachers and students will resist any decision that goes against its track (Debondi Maslak).

Press-release sent by:
Sultan Mohiuddin (Ph: 01916222204, 01819952366)
Central Publicity Secretary

Bangladesh Khelafat Andolon

Wednesday, July 27, 2016

সাক্ষাৎকারে মাওলানা আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর : ইসলামি শিক্ষা ছড়িয়ে দিলে জঙ্গিবাদ ধূলিসাৎ হয়ে যাবে

দৈনিক নয়াদিগন্ত, ফয়েজ উল্লাহ ভূঁইয়া  ২৭ জুলাই ২০১৬বুধবার

বিশিষ্ট ইসলামি শিক্ষাবিদ হাফেজ মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর মনে করেন, বাংলাদেশে কিছু সন্ত্রাসী জঙ্গিবাদী ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি এখনো সেভাবে খারাপ পর্যায়ে যায়নি। এটার লাগাম টেনে ধরার জন্য সরকারকে কাজ করতে হবে। সরকার এ জন্য শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে অভিযান চালালেই হবে না। এ ক্ষেত্রে আলেমদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি করে তাদের পরামর্শ নিতে হবে। জাতীয়ভাবে এই সমস্যা মোকাবেলার কৌশল নিয়ে আগাতে হবে। ইসলামি শিক্ষাকে যদি স্কুল কলেজে ব্যবহার করা হয় তাহলে তরুণরা ইসলাম সম্পর্কে অবহিত হবে তখন তাদের বিভ্রান্ত করা কঠিন হবে। ইসলামি শিক্ষাকে যদি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেয়া হয় তাহলে এসব অপতৎপরতা এবং ষড়যন্ত্র সব কিছু ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে। আলেম-ওলামা তাদের পর্যায়ে সব কিছু করছেন। মুসলিম প্রধান দেশ হিসেবে মুসলমানদের স্বার্থে, দেশ-জাতির স্বার্থে  সরকারকেও ইসলামি শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে কাজ করতে হবে। ভাসাভাসা যত চেষ্টা করা হোক না কেন, গোড়ায় না গেলে কোনো কাজ হবে না। পাশাপাশি সরকারকে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে যারা যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে তাদের মেরে ফেললে হবে না। তাদের ধরে তাদের কাছ থেকে তথ্য নিতে হবে। সন্দেহের কারণে মেরে ফেললে সমস্যার সমাধান হবে না। এতে নিরীহ মানুষও শিকার হতে পারে। এতে সমস্যা আরো বাড়তে পারে। তাদের মধ্যে জিদ বাড়তে পারে। ভাই ভালোভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করে যা করার করতে হবে; না হয় এক দিকে সরকার টিপ দেবে আবার দশ দিক দিয়ে সেটা বের হবেএকটা ছিদ্র বন্ধ করবে, ১০টা ছিদ্র বের  হয়ে যাবে।

হাফেজ মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ খেলাফত আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ হাফেজ্জী হুজুরের ছোট ছেলে। তিনি  হাফেজ্জী হুজুর প্রতিষ্ঠিত কামরাঙ্গীর চর জামেয়া নূরিয়া ইসলামিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপাল, কাওরান বাজার আম্বরশাহ শাহী জামে মসজিদে ২৫ বছর খতিব এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রধান আমিরে শরীয়তের দায়িত্ব পালন করছেন। দেশ-বিদেশে ইসলামের নামে জঙ্গি তৎপরতা নিয়ে নয়া দিগন্তের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি খোলামেলা কথা বলেন। সাক্ষাৎকারটি নিম্নরূপ : 

নয়া দিগন্ত : বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে এবং তারা ইসলামের নাম ব্যবহার করছে বলে জানা যাচ্ছে। ইসলামকে ব্যবহার করে উগ্রপন্থা, চরমপন্থা অবলম্বনের কোনো অবকাশ আছে কি ?

মাওলানা আতাউল্লাহ: ‘জঙ্গি’ ফারসি শব্দ। জং থেকে এসেছে। জং মানে যুদ্ধ। আর জঙ্গি বলা হয় যোদ্ধাকে। ইসলামের নামে জঙ্গিকে যে ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে ওটা হলো জঙ্গি অর্থ সন্ত্রাসী। ফারসি অর্থের দিকে তাকিয়ে জঙ্গি শব্দের অর্থ নেয়া হলে তো আমাদের মিলিটারিরা যে ট্রেনিং নিচ্ছে, যারা যুদ্ধকৌশল শিখছে, সবচেয়ে বড় যোদ্ধা তো তারা। আসলে জঙ্গি বলে ইসলামের দিকে ইঙ্গিত করা হচ্ছে; কিন্তু ইসলামে জঙ্গি-সন্ত্রাসের কোনো সুযোগ নেই। ইসলামে এগুলোর কোনো অস্তিত্বই নেই। এক জায়গায় আক্রমণ করল, কয়েকজন লোককে হত্যা করল, গলা কেটে মারল এটা দিয়ে কী হবে? আসলে ইসলামকে দুর্নাম করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এগুলো করা হচ্ছে। ইসলাম কি এভাবেই প্রসার লাভ করেছে? ইসলামের ইতিহাস দেখলে এগুলো পরিষ্কার হয়ে যাবে। মানুষ হত্যা করে বোমাবাজি করে অন্যায়ভাবে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কখনো ইসলাম প্রসার লাভ করেনি। রাসূলের সা: মক্কী জিন্দিগীতে তিনি কিভাবে সাহাবায়ে কেরামকে নিয়ে ইসলামের কাজ করেছেন, তিনি সেখানে সারাক্ষণ জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কিন্তু কখনো তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেননি। নির্যাতিত হতে হতে এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছে যখন সহ্যের বাইরে চলে গেছেন তখন আল্লাহর কাছে তিনি ফরিয়াদ করেছেন। আল্লাহ হিজরতের আদেশ দিয়েছেন। তিনি মদিনায় চলে গেছেন। মদিনায় যাওয়ার পর মদিনাবাসীও তার অনুসারী হয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে ইহুদিদের সাথেও একটা সন্ধি হয়েছিল। যখন সেখানে ইসলামি রাষ্ট্র কায়েম হয়ে গেল তখন মক্কা থেকে কিছু লোক মদিনায় আক্রমণ করার জন্য আবার আসছে তখন আল্লাহর হুকুমে তিনি তাদের ওপর আক্রমণের জন্য নয়, মদিনাকে রক্ষা এবং নিজেদের রক্ষার জন্য তাদেরকে তৎপরতা থেকে থামানোর জন্য  মদিনার বাইরে গিয়ে তিনি যুদ্ধ করলেন। 

নয়া দিগন্ত : যারা এসব করছে তারা তো ইসলামকে রক্ষার জন্য করছে বলছে এবং এই বিশ্বাস নিয়েই করছে বলে বাহ্যদৃষ্টিতে তারা দেখাচ্ছে।

মাওলানা আতাউল্লাহ : তাদের এই ধরনের শুধু বিশ্বাস থাকলেই তো হবে না। রাসূলের সা: জীবনী থেকে, কুরআন হাদিস থেকে এই জিনিসগুলো বুঝতে হবে। রাসূলের জীবনী ও কুরআন হাদিসে কোথাও এভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে মানুষ হত্যা করে, প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা পাওয়া যায় না। নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় উত্তম জ্ঞান এবং হেকমত বা কৌশলের সাথে ইসলামের প্রচার প্রসার ও প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। বরং যারা খুন, হত্যা, ফাসাদ ইত্যাদি সৃষ্টি করতে চায় তাদের ব্যাপারে কঠোর শাস্তির কথা কুরআনের মধ্যেই আছে। যারা ইসলামিসমাজকে,  মুসলমানদের সমাজকে নষ্ট করতে চায়, অশান্ত  করতে চায় তাদের ব্যাপারে জেলের হুকুম আছে। এগুলো নিয়ে তাদের সংশোধন করা না গেলে তাদেরকে নিশ্চিহ্ন করারও নির্দেশ আছে। কারণ যারা আল্লাহ ও রাসূলের নির্দেশনা না মেনে আল্লাহ ও রাসূলের নাম করেই সমাজে অশান্তি সৃষ্টিকারী কিছু করে সেটা অবশ্যই ফেতনা ফাসাদই হবে। তারা যদি ইসলামি স্লোগানও দেয় সেগুলো হবে ইসলামকে দুর্নাম করার ষড়যন্ত্র।

নয়া দিগন্ত : তরুণরা জিহাদের নামে উগ্রপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়ার কারণ কী বলে আপনি মনে করেন?

মাওলানা আতাউল্লাহ : মুসলিম তরুণদের মধ্যে তারুণ্যের জজবা থাকে। তারা এসব কথা শুনে থাকে যে, জিহাদ করে বাঁচলে গাজী, মরলে শহীদ। এগুলো শুনে তাদের মধ্যে প্রেরণা জাগে। কিন্তু ইসলামের সঠিক শিক্ষা না থাকার কারণে আসলে তারা বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে যায়। কোনটা আসলে জিহাদ কোনটা জিহাদ নয় এটার মধ্যে তালগোল পাকিয়ে ফেলে। অমুসলিমদের ষড়যন্ত্রেরও শিকার হয়ে যায় তারা। অমুসলিমরা যখন ইসলামের নাম নিয়ে এসব স্লোগান দেয় তখন মুসলিম তরুণরা ঝাঁপিয়ে পড়ে। এটাকে যাচাইবাছাই করার মতো ক্ষমতা অনেকের মধ্যে নেই। 

নয়া দিগন্ত : এ পর্যন্ত যত তরুণ এসব কাজে ধরা পড়েছে বা মারা গিয়েছে সেগুলোর সাথে মাদরাসার কি কোনো সম্পর্ক আছে  

মাওলানা আতাউল্লাহ : আগে দুই-চারজন ছিল কিন্তু তারা অন্যভাবে ছিল। যেমন- মুফতি হান্নানসহ যাদের কথা বলা হয় তাদের কার্যকলাপকেও আলেম ওলামারা সমর্থন দেননি। তারা ভুলপথে চলছিল। আর এখন যা আসছে সবই তো স্কুল কলেজের ছেলেপেলে তরুণ। মাদরাসার ছাত্র একটাও নেই। তারা কিছু সময় তাবলিগ জামাতের সাথে সময় লাগায়, কিছু আলেম ওলামার সোহবতে বসে এই সোহবতের কারণে ইসলামের কথা শুনে জিহাদের কথা শুনে ইসলামের কিছু প্রেরণা তাদের অন্তরের মধ্যে লালন করে। এই সুযোগে তাদেরকে যখন কেউ টার্গেট করে তখন তারা অনেক সময় বিভ্রান্ত হয়ে গিয়ে ওই ভুলপথে পা বাড়ায়। এই তরুণদেরকে যারা গোপনে সুসংগঠিত করে সন্ত্রাসী কাজগুলো ইসলাম ও জিহাদের নামে করাচ্ছে তারা কিন্তু ধরাছোঁয়ার বাইরে, ধরা পড়ছে কিংবা মার খাচ্ছে এই তরুণরাই। প্রাথমিক শিক্ষা দিয়েই তরুণদেরকে নামিয়ে দেয়া হচ্ছে। আসলে যারা এই মূল  তৎপরতা চালাচ্ছে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে।

নয়া দিগন্ত : আপনার কথা অনুযায়ী এই ‘আসল’ তৎপরতা পরিচালনাকারী কারা? তারাই বা কেন এসব তৎপরতা চালাচ্ছে?

মাওলানা আতাউল্লাহ : আমি মনে করি এগুলো ইহুদি চক্রের ষড়যন্ত্র। এই অপতৎপরতা সারা দুনিয়ার মধ্যে। সারা  দুনিয়ায় এই ধরনের অপতৎপরতা চালিয়ে ইসলামকে জঙ্গিবাদ ও জঙ্গি ধর্ম হিসেবে সমাজের কাজে চিহ্নিত করার চেষ্টায় তারা লেগে আছে। মুসলমান বললেই যাতে দুনিয়ার মানুষ বলে যে তারা জঙ্গি, তারা সন্ত্রাসী। মুসলিমসমাজকে তারা শান্তিপূর্ণভাবে থাকতে দেবে না। বলতে পারেন, ফ্রান্স, জার্মানি, আমেরিকা, জাপানসহ অন্যান্য দেশেও সন্ত্রাসী তৎপরতা হচ্ছে। তার কারণ হচ্ছে সেসব দেশেও কিন্তু দিন দিন মুসলমানের সংখ্যা বাড়ছে। সেখানেও মুসলমাদেরকে যাতে নিশ্চিহ্ন করা যায় সেই পরিকল্পনা নিয়ে তারা কাজ করছে।

আজকে কত বছর থেকে ইহুদিরা ফিলিস্তিনের ওপর আক্রমণ করে যাচ্ছে। একেবারে তাদের ঘরবাড়ি দখল করাসহ তাদের শিশুদেরকে পর্যন্ত তারা নিশ্চিহ্ন করছে। আমেরিকা-ইহুদিদের এ জন্য কোনো আফসোস নেই। এখানে তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় না। আফগানিস্তান, কাশ্মীরেও এ রকম হচ্ছে। এখানে যেন মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে না। এটাই তো বড় প্রমাণ এরাই দুনিয়ার মধ্যে আশান্তি সৃষ্টি করছে। এখানে এমনও আছে যে, আপনি কোনো দিন চিন্তাও করতে পারবেন না এ লোক অমুসলিম। ইহুদিদের মধ্যে আলেমও আছে। তারা ছদ্মবেশে মুসলমান সেজেও মুসলিম তরুণদের বিভ্রান্ত করে বলে শোনা যায়। তবে বাংলাদেশে যা হচ্ছে তার সাথে আন্তর্জাতিক কোন সংগঠনের সম্পর্ক আছে কি না এ ব্যাপারে আমার কোনো ধারণা নেই।

নয়া দিগন্ত : এই আত্মঘাতী প্রবণতা থেকে মুক্তির উপায় কী?

মাওলানা আতাউল্লাহ : সবচেয়ে বড় পন্থা হলো ইসলামি শিক্ষাকে ব্যবহার করা। ইসলামি শিক্ষাকে যদি স্কুল কলেজে ব্যবহার করা হয় তাহলে আমাদের তরুণরা ইসলাম সম্পর্কে অবহিত হবে তখন তাদের বিভ্রান্ত করা কঠিন হবে। তখন বুঝতে পারবে তাদের জীবনের মূল্য কতটুকু। এই জীবনটা ক্ষণস্থায়ী হলেও অনেক মূল্যবান। তখন তারা এত মূল্যবান জিনিসটা একজনের ভাসাভাসা কথার পেছনে পড়ে শেষ করবে না। এই ইসলামি শিক্ষাকে যদি ব্যাপক করা হয় তখন এসব অপতৎপরতা এবং ষড়যন্ত্র সব কিছু ধূলিস্যাৎ হয়ে যাবে। ইসলামি শিক্ষাকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেয়ার কাজটি সরকারকেই করতে হবে। আলেম ওলামারা তো তাদের পর্যায়ে সব কিছু করছে। আলেম-ওলামা যদি না করতেন তাহলে পরিস্থিতি হয়তো অনেক আগেই আরো খারাপ হতে পারত। মুসলিম প্রধান দেশ হিসেবে মুসলমানদের স্বার্থে এমনকি দেশ-জাতির স্বার্থেই এটা করতে হবে সরকারকে। আমি ভাসাভাসা যতই চেষ্টা করি না কেন গোড়ায় যদি না যাই তাহলে তো হবে না। কিন্তু আমরা সরকারের কাছ থেকে উল্টো জিনিস পাচ্ছি। সরকার তো ইসলামবিরোধী শিক্ষানীতি দিয়ে ইসলামের যে ধ্যানধারণা কিছুটা ছিল  সেটাও দূর করে দিলো। সরকারকে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে যারা যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। কিন্তু তাদের মেরে ফেললে তো হবে না। আটক করে তাদের কাছ থেকে তথ্য নিক। তা ছাড়া সন্দেহ করে মারলে তাতে নিরীহ লোকওতো থাকতে পারে। এখানে আমার সন্দেহ হলো আমি সব মেরে ফেললাম, কী পেলাম? সেখান থেকে কিছু বের করতে পারলাম না - এভাবে করলে তো কিছুই নির্মূল হবে না। নিরীহ মানুষও শিকার হতে পারে। এগুলোর দ্বারা সমস্যা আরো বাড়তে পারে। তাদের জিদ বাড়তে পারে। এই সন্ত্রাস দূর করার জন্য, নির্মূল করার জন্য কুরআনে যে ফর্মুলা আল্লাহ দিয়েছেন এটা নিয়ে তো আলেম-ওলামা সব সময় কাজ করছেন। তার ফলাফল আমরা পাচ্ছি। সরকারের আইন এসব অপকর্ম থেকে সমাজকে সেভাবে বিরত রাখতে পারবে না। আল্লাহর আইন সমাজকে এসব অপকর্ম থেকে বিরত রাখতে পারবে। আলেম-ওলামার পরামর্শ নিয়ে সরকার এসব কর্মকাণ্ড করলে বেশি কামিয়াব হবে। সন্দেহ করে জঙ্গি দমনের কাজ করলে কিন্তু সুফল আসবে না। ভালোভাবে তাহকিক করে তারপর কাজ করতে হবে। না হয় এক দিকে সরকার টিপ দেবে আবার ১০ দিক দিয়ে সেটা বের হবে। একটা ছিদ্র বন্ধ করবে ১০টা ছিদ্র বের  হয়ে যাবে।

নয়া দিগন্ত : বাংলাদেশের পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে বা কি পরিস্থিতি দাঁড়াতে পারে বলে আপনি আশঙ্কা করছেন?

মাওলানা আতাউল্লাহ : আমি মনে করি বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখনো সেভাবে খারাপ পর্যায়ে যায়নি। এটার লাগাম টেনে ধরার জন্য সরকারকে কাজ করতে হবে। সরকার এ জন্য শুধু অভিযান চালালেই হবে না। এ ক্ষেত্রে  আলেমদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি করে সরকারকে পরামর্শ নিতে হবে। না হয় এ দেশ আফগানিস্তানের পরিণতি ভোগ করার দিকে আগাবে। তখন আমেরিকা বা অন্য দেশ এখানে আসার সুযোগ সৃষ্টি হবে। যেটা আমাদের কারো জন্যই মঙ্গল হবে না। ষড়যন্ত্রকারীরা হয়তো সেটাই যাচ্ছে। এটাকে মাথায় রেখে জাতীয়ভাবে এই সমস্যা মোকাবেলার কৌশল নিয়ে আগাতে হবে।

নয়া দিগন্ত : মসজিদে নজরদারির সিদ্ধান্ত এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে জুমার খুতবা তৈরি করে বিতরণ করার বিষয়টিকে আপনি কিভাবে দেখছেন

মাওলানা আতাউল্লাহ : সরকারকে তো সারা দেশেই নজরদারি রাখতে হবে। কিন্তু বিশেষভাবে  মসজিদে খতিবদের নজরদারির যে ঘোষণা সরকার দিয়েছে তাতে আলেমদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। আর আতঙ্কের ফলাফলও শুরু হয়ে গেছে। তাদের খুতবা না পড়ার কারণে কোনো কোনো আলেমকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। খুতবা থেকে জঙ্গিবাদের উসকানি হয় এই ধারণাটাই তো ঠিক না। যদি বলা হয় খতিবরা জিহাদের কথা বলে কি না সেটা নজরদারি করবে তাহলে তো হবে না। জিহাদের কথা তো কুরআনের অনেক জায়গায় আছে। এই সব আয়াতের ব্যাখ্যা দিলে কি জঙ্গি হয়ে যাবেন? ইসলামি বই পেলেই অনেকটা খারাপ অর্থে বলা হচ্ছে ‘জিহাদি বই’। এটা তো অন্যায় কাজ। এটা সরকার করুক বা সরকারি লোক করুন। জিহাদ আর সন্ত্রাস এক জিনিস না। আত্মরক্ষামূলক, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার নাম হচ্ছে জিহাদ। এটার সাথে সন্ত্রাসের তো কোনো সম্পর্ক নেই। জিহাদের সবচেয়ে বড় বই হলো কুরআন। সরকার যদি এটা বলে তাহলে তো কুরআনও রাখা যাবে না। এই ধরনের কথাবার্তা বলা তো ঠিক না। জিহাদি বই পড়া, পুস্তকাদি রাখা এটা তো ঈমানের দাবি। ইসলামের প্রচার প্রসারের জন্য চেষ্টা করাটাও তো জিহাদের অংশ। ইসলামের ইতিহাসেইতো আমরা জিহাদের বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা পাই।

এখন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যে খুতবা দেয়া হয়েছে। সেটাতে যেমন ভুল আছে তেমনি এমনভাবে সেখানে লেখা হয়েছে তাতে মনে হয় যত সন্ত্রাসী কাজ হয় শুধু মুসলমানদের কাছ থেকে। মুসলমানরা সন্ত্রাসী নাকিআসলে এই ধরনের কোনো খুতবারই দরকার নেই। আমরা খতিবরা এমনিতেই ফেতনা ফাসাদের বিষয়ে তার চেয়েও বেশি বলে থাকি।

নয়া দিগন্ত : সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ

মাওলানা আতাউল্লাহ : আপনাকেও ।

Monday, June 20, 2016

“অপরাধ মুক্ত রাষ্ট্র গঠনে কোরআনের বিধান প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য” শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল, ঢাকা মহানগরী খেলাফতের

১১ই রমজান  মোতাবেক ১৭ই জুন ২০১৬ গত  শুক্রবার বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে রাজধানীর হোটেল ইম্পেরিয়ালের কনভেনশন সেন্টাতে "অপরাধ মুক্ত রাষ্ট্র গঠনে ক্বোরানের বিধান প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য" শীর্ষক আলোচনাসভা এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীরে শরীয়ত হাফেজ মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর বলেন, আত্মশুদ্ধি, সাম্য, সহমর্মিতা ও মানবীয় গুনাবলী সৃষ্টির উদাত্ত আহবান নিয়েই রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজান আমাদের কাছে এসেছিল। মুসলিম জাতীয় ঐতিহ্য চেতনায় এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক জীবনে রমজান অতি গুরুত্বপূর্ণ। রমজান মাস পবিত্র কুরআন নাজিলের মাস, ইসলাম প্রতিষ্ঠার মাস, বিজয়ের মাস। মুসলমানের দ্বীন ও দুনিয়ার সমৃদ্ধি, পার্থিব ও আধ্যাত্মিক উন্নতি, দৈহিক ও মানবিক শ্রেষ্ঠত্ব আর গৌরব ও মর্যাদার অবিস্মরণীয় স্মৃতি বয়ে নিয়ে আসে মাহে রমজান। তিনি অপরাধমুক্ত আদর্শ রাষ্ট্র গঠনের জন্য সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল স্তরে কুরআনের বিধান প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোরআনের বিধান ও রাসূল সা. এর আদর্শে রাষ্ট্র পরিচালিত হলে দেশে খুন, ধর্ষণ, চুরি, ডাকাতি, ঘুষ-দূর্নীতি, লুঠপাট ও জুলুম নির্যাতনসহ কোনো ধরনের অপরাধ থাকবে না। তখনই সত্যিকারের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশে আবার সোনালী যুগ ফিরে আসবে।

সংগঠনের ঢাকা মহানগর আমীর ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী হাফেজ মাওলানা আবু তাহেরের কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকার সম্পাদক জনাব আলহাজ্ব আলমগীর মহিউদ্দীন, ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের আমীর ড. মাওলানা ঈসা শাহেদী, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ জাফরুল্লাহ খান, খেলাফতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবুল হাসনাত আমিনী, ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর আমীর মাওলানা শেখ গোলাম আসগর, মুসলিম লীগের মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন, ইসলামী বুদ্ধিজীবি ফ্রন্টের আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হান্নান আল হাদী, খাদেমুল ইসলাম জামাআতের সেক্রেটারী জেনারেল মো: নাজমুল হক, খেলাফত নেতা হাজী জালাল উদ্দিন বকুল, মুহাম্মদ আজম খান, মুফতী ফখরুল ইসলাম, মাওলানা সুলতান মহিউদ্দিন, মাওলানা সাজেদুর রহমান ফয়েজি, মাওলানা মাহবুবুর রহমান, মুফতী আব্দুর রহীম কাসেমী প্রমুখ।

মাওলানা আব্দুল লতিফ নিজামী বলেন, একটা বৃহত্তর নীলনকশার অংশ হিসেবে শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। শিক্ষানীতি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর পালিত ধর্মের বিপক্ষে এবং একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর অনুকূলে প্রণীত। 

নয়া দিগন্তের সম্পাদক আলহাজ্ব আলমগীর মহিউদ্দীন বলেন, বৃটিশরা এদেশে মুসলমানদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিভক্ত করে দিয়ে আমাদেরকে দুর্বল করে দিয়েছে। আমাদেরকে সাধারণ শিক্ষা এবং ইসলামী শিক্ষার সমন্বয় করতে হবে। অপরাধ মুক্ত করতে হলে নৈতিকতা সৃষ্টি করা অপরিহার্য। নৈতিকতা সৃষ্টিতে ধর্ম বিশেষ করে ইসলামে ভুমিকা সবচেয়ে বেশি।

ড. মাওলানা ঈসা শাহেদী বলেন, জঙ্গি দমন অভিযানের নামে সারাদেশ থেকে অনেক সাধারণ নিরীহ মানুষ গ্রেফতার হচ্ছে। এতে জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ অভিযানে নিরীহ মানুষও হয়রানীর শিকার হচ্ছে। এধরণের ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। দেশে অব্যাহত হত্যাকান্ড চলছে। এতে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, পুলিশ অফিসারের স্ত্রীসহ বিভিন্ন পেশার নারী ও পুরুষ হত্যাকান্ডের শিকার হচ্ছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো হত্যাকা-ের নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার হয়নি। তারপরও খুনের দায় বিরোধীদের উপর চাপিয়ে প্রকৃত দোষীদের আড়াল করা হচ্ছে। এসব হত্যাকান্ডের পেছনের মূল শক্তি চিহ্নিত হচ্ছে না ফলে হত্যাকান্ড ঘটেই চলছে।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী বলেন,   বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষায় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ নেতা রানা দাশ গুপ্ত ও অভিনেতা পীযুষ বন্দোপধ্যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীর হস্তক্ষেপ কামনা করে দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তাদের এ হস্তক্ষেপ কামনার অর্থ বাংলাদেশে ভারতের আগ্রাসন চালানো। এমনি পরিস্থিতিতে রামকৃঞ্চ মিশনের ধর্মগুরুকে হত্যার হুমকির সাথে বাংলাদেশেী হিন্দুদের সুরক্ষার হস্তক্ষেপ কামনার সাথে যোগসূত্র রয়েছে বলে মনে করি। এ লক্ষ্যে ভারতীয় আগ্রাসন উসকিয়ে দিতে এ উগ্রপন্থি সংগঠনের কেউ রামকৃঞ্চ মিশনের পুরোহিতকে হত্যার হুমকি দিয়ে থাকতে পারে। সাম্রাজ্যবাদের দালাল রাষ্ট্রদ্রোহী এ উগ্র সংগঠনের বিরুদ্ধে সকলকে রুখে দাঁড়াতে হবে।